সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল বিদেশ থেকে আমদানি করা যাবে। নতুন আমদানি নীতিতে মোটরসাইকেল আমদানির ক্ষেত্রে ইঞ্জিনক্ষমতার সীমা বাড়ানোয় নতুন এ সুযোগ তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬–২০২৯-এর গেজেট প্রকাশ করেছে। নতুন নীতিতে আমদানি সহজ করতে আরও বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ঋণপত্র (এলসি) খোলার পাশাপাশি এখন থেকে কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানি করতে পারবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা।
নতুন এ নীতির ফলে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আমদানির সুযোগ বাড়বে। তবে এতে স্থানীয় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে ২০২১–২০২৪ সালের আমদানি নীতি অনুযায়ী, সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেল আমদানিতে বিধিনিষেধ ছিল।
নতুন নীতিতে একই সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল (ফ্রি ট্রেড জোন) ও সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল সংরক্ষণ ও সরবরাহব্যবস্থা আরও কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশকে আঞ্চলিক বাণিজ্য, লজিস্টিকস ও পুনঃরপ্তানির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনুমোদিত শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মূলধনি যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ ও কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা হয়েছে। রপ্তানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানির সুযোগও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।