আর্জেন্টিনার উপকূলবর্তী এলাকায় হঠাৎ করেই সমুদ্রের পানি শত শত মিটার দূরে সরে যাওয়ার এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা গেছে। সমুদ্র সৈকত জুড়ে পানির পরিবর্তে এখন কেবলই ধু-ধু বালুচর।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে তুমুল চাঞ্চল্য। অনেকেই একে কোনো অলৌকিক ঘটনা বা বড় কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস বলে আশঙ্কা করছেন।
তবে বিজ্ঞানীরা এর পেছনে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।নেপথ্যের আসল কারণবিজ্ঞানীদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক বিষয় নয়, বরং আবহাওয়া ও জোয়ার-ভাটার একটি বিরল কিন্তু স্বাভাবিক রূপান্তর।
এর প্রধান কারণগুলো হলো:
তীব্র অফশোর বায়ু: উপকূল থেকে সমুদ্রের ভেতরের দিকে প্রচণ্ড গতিতে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার কারণে ওপরের স্তরের পানি গভীর সমুদ্রের দিকে ধাবিত হয়েছে।
প্রবল নিম্ন জোয়ার বা ভাটা: চন্দ্র ও সূর্যের বিশেষ অবস্থানের কারণে সৃষ্ট জোয়ার-ভাটার চক্রে পানি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি নিচে নেমে গেছে।
উচ্চ বায়ুমণ্ডলীয় চাপ: উপকূলীয় অঞ্চলে বাতাসের চাপ অতিরিক্ত বেশি থাকায় তা পানিকে সমুদ্রের ভেতরের দিকে ঠেলে দিয়েছে।বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করেছেন যে, বাতাসের গতিবেগ স্বাভাবিক হয়ে এলে এবং জোয়ারের চক্র পরিবর্তিত হলে সমুদ্রের পানি আবার আগের জায়গায় ফিরে আসবে। এটি কোনো সুনামি বা ভূমিকম্পের লক্ষণ নয়।