মেজর হাফিজ ৩০০ আসনের মধ্যে মাত্র ৩ জন স্বতন্ত্র বিজয়ীর একজন!

Uncategorized

বাংলাদেশের রাজনীতিতে মেজর হাফিজের রাজনৈতিক পথচলাটা বেশ ব্যতিক্রমী। রাজনীতিতে আসার আগেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান থাকাকালে মেজর হাফিজ তাঁর এপিএস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

আশির দশকে রাজনীতিতে প্রবেশের পর তিনি জাতীয় পার্টির হয়ে নির্বাচন করেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় আসে ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।

সেবার কোনো বড় দলের মনোনয়ন না নিয়ে ভোলা-৩ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেন মেজর হাফিজ। আর ৩০০ আসনের সেই নির্বাচনে মাত্র ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিজয়ী হতে পেরেছিলেন—মেজর হাফিজ ছিলেন তাঁদের একজন। 😮

নির্বাচনে বিজয়ের পর ঢাকায় ফিরে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের সূত্র ধরে সেই সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়। এরপর ১৯৯২ সালে মেজর হাফিজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।

বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দ্রুত এগিয়ে যায়। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং খালেদা জিয়ার সরকারের পানি সম্পদ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন। পরবর্তীতে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।

মেজর হাফিজের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম আলোচিত অধ্যায় ছিল তাঁর স্পিকার হিসেবে ভূমিকা। সংসদ পরিচালনায় তাঁর দৃঢ়তা, নিয়ম-কানুনের প্রতি কঠোর অবস্থান এবং দল-মত নির্বিশেষে সংসদীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ১৯৯১ সা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *