ইরানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, নিহত সেনার সংখ্যা জানাল যুক্তরাষ্ট্র

Uncategorized

রোববার (১ মার্চ) আল জাজিরার–এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের জেরে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালে তিন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন এবং অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই হতাহতের ঘটনা নিশ্চিত করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজন শার্পনেলের আঘাত এবং মস্তিষ্কে আঘাতজনিত চোট পেয়েছেন। তাদের দ্রুত সুস্থ করে দায়িত্বে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানানো হয়।

সেন্টকম আরও জানায়, সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল। নিয়ম অনুযায়ী নিহত সেনাদের পরিবারের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং নিকটাত্মীয়দের অবহিত করার জন্য অন্তত ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করা হবে না।

এর আগে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বোমা হামলার জবাবে তারা প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি আরও দাবি করে, তারা ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় ‘ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন’ হামলা চালিয়েছে। এছাড়া ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি, তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদরদপ্তর হা-কিরিয়া এবং একই শহরের একটি বড় প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও হামলার দাবি করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *