ভোটের ফলাফলে হেরেও তা মানতে নারাজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার দাবি, ‘নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’—এই অবস্থান থেকেই আপাতত পদত্যাগ না করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, এমন পরিস্থিতিতে সংবিধান কী বলে এবং প্রশাসনিক বাস্তবতায় কী ঘটতে পারে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সংবিধানে সরাসরি এমন পরিস্থিতির উল্লেখ নেই—যেখানে একজন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে পরাজিত হয়েও রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন না।
কারণ, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রচলিত রীতিতে ফলাফলের তথ্য জানার পর বিদায়ি মুখ্যমন্ত্রী স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ইস্তফা দেন এবং নতুন সরকার গঠনের পথ সুগম করেন। এই প্রথা আইনি বাধ্যবাধকতা না হলেও সাংবিধানিক শিষ্টাচারের অংশ হিসেবে বিবেচিত।
কী সেই প্রথা?
ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে নজির রয়েছে ফল ঘোষণার পর পরাজয় বরণ করলে একটি নিয়ম মানতে হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। সেই নিয়ম হলো—ফলাফলের তথ্য নিশ্চিত হলেই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরেই প্রশস্ত হয় নতুন সরকার গঠনের পথ। প্রয়োজনে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্বে থাকেন