তৌহিদুল ইসলাম নিশান. তিনি স্থানীয় মীরসরাই উপজেলা ছাত্রদলের ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির একজন সদস্য। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সন্ধ্যার ঠিক আগে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই অংশে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের গাড়িবহর অতিক্রম করার সময় এই ঘটনা ঘটে. গণভোটের দাবি ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ৬ দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া লংমার্চের গাড়িবহরটি যখন মীরসরাই এলাকা পার হচ্ছিল, তখন সড়কের পাশে ডিভাইডারে একা দাঁড়িয়ে নিশান এই প্রতীকী প্রতিবাদ জানান।
কেন এই প্রতিবাদ?লাল কার্ড প্রদর্শনের কারণ জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলাম নিশান জানান, দেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিবেশ, রাজনৈতিক দুর্ভোগ এবং লংমার্চের কারণে সৃষ্ট তীব্র জনভোগান্তির প্রতিবাদেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন. তিনি আরও বলেন, “আমি শুধু লাল কার্ডই প্রদর্শন করেছি। কোনো গালি দিইনি, জুতো বা ঝাড়ু দেখাইনি। কারও পরিবার নিয়েও অশালীন মন্তব্য করিনি। এটি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং একটি শান্তিপূর্ণ প্রতীকী প্রতিবাদ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড়:ভিডিওটি ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ার পর রাজনৈতিক অঙ্গন ও নেটিজেনদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে: নেটিজেনদের একাংশ ও বিএনপি নেতাকর্মী: নিশানের এই একাকী এবং ব্যতিক্রমী প্রতিবাদের সাহসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন. একই সঙ্গে, জামায়াত আমিরের সাথে বিশাল কর্মীসমর্থক থাকার পরও ওই যুবকের গায়ে কেউ হাত না তোলায় জামায়াতের রাজনৈতিক সহনশীলতারও প্রশংসা করছেন অনেকে।
জামায়াত-শিবির ও সমালোচক মহল: অন্য অংশটি এই ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সস্তা ‘ভাইরাল’ হওয়ার চেষ্টা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। মীরসরাইয়ের এই ঘটনাটি বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত টপিকে পরিণত হয়েছে