সংসদে বিএনপির ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ব্যাপক হট্টগোল। একপর্যায়ে এতটাই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয় যে, রুমিন ফারহানা ঠিকমতো বক্তব্য দিতে পারছিলেন না, এমনকি সংসদ সদস্যদের অনেকেই তার বক্তব্য স্পষ্টভাবে শুনতেও পারছিলেন না।
এ সময় বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে দাঁড়িয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আজকে উনি কী বললেন আমরা তো একেবারেই বুঝতে পারলাম না। উনি গালি দিলেন নাকি দোয়া দিলেন, কিছুই বুঝলাম না।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে রুমিন ফারহানার কথা বলার অধিকার কি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে? তার বক্তব্যে কোনো অসংগতিপূর্ণ বা সংসদীয় বিধিবহির্ভূত বিষয় থাকলে সেটি স্পিকার বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী নিয়ম অনুযায়ী মোকাবিলা করতে পারেন। কিন্তু হট্টগোল করে একজন সংসদ সদস্যের বক্তব্য থামিয়ে দেওয়া কোনো সমাধান হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, সংসদে এত বেশি আওয়াজ হচ্ছিল যে কেউ কারও কথা শুনতে পাচ্ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে সংসদের বক্তব্য রেকর্ড হওয়া নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সংসদে একজন সদস্য কথা বলার সময় অন্যদেরও তার বক্তব্য শোনার সুযোগ দেওয়া উচিত—এমনটাই মনে করছেন অনেকে।