আজ সংসদে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। আজমেরী হক বাঁধনের ওপর ইতালিতে হামলার প্রসঙ্গে তিনি শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করেই থেমে থাকেননি, বরং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের বার্তাও দিয়েছেন।
বক্তব্যে হুমায়ুন কবির বলেন, আজমেরী হক বাঁধন শুধু একজন অভিনেত্রী নন; তিনি জুলাই আন্দোলনের একজন সম্মুখসারির কর্মী। তার ওপর হামলাকে বাংলাদেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ওপর হামলা হিসেবেও দেখার কথা জানান তিনি।
ঘটনার পর রোমে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মিলানে বাংলাদেশ কনস্যুলেটকে সক্রিয় করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগের কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে।
এ ছাড়া বাঁধনের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তাকে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ার কথা জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হবে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে তিনি জানান—অপরাধী যে দেশেই অবস্থান করুক, তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এরপরই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে। তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ভূমিকা ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি সামনে এনে অনেকে বলছেন, সংসদে তার প্রথম দিকের বক্তব্যেই তার ওপর আস্থার প্রতিফলন দেখা গেছে।